Thursday November 26, 2020
intellect logo

Home BEYOND IP ঘুড়ি সুতোর কাটাকাটিতে সাকরাইন

ঘুড়ি সুতোর কাটাকাটিতে সাকরাইন

আসাদ আবেদীন জয়
ঘুড়ি সুতোর কাটাকাটিতে সাকরাইন

নীল আকাশে উড়বে রঙিন ঘুড়ি। ঘুড়িতে ঘুড়িতে হবে কাটাকাটি। কোন ঘুড়ি সুতা কেটে পড়বে মাটিতে, আবার কোনটি রাজত্ব করে বেড়াবে  আকাশে জুড়ে। দিনভর চলবে উৎসবের আবহে ঘুড়ি ওড়াউড়ির এই রঙিন খেলা যেটি মূলত আমাদের কাছে পরিচিত সাকরাইন উৎসব নামে। প্রতিবছর বাংলা বছরের নবম মাসে অর্থাৎ পৌষ মাসের শেষে - পৌষ সংক্রান্তিতে পালিত হয় এই উৎসব। কালের ধারাবাহিকতায় যা হয়ে উঠেছে শুধু পুরান ঢাকার স্থানীয়দের নয়, পুরো বাঙালি ঐতিহ্যের অংশ হয়ে।

প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে এই উৎসব। উৎসবটি একদিনের হলেও এলাকাভেদে এর দিন-তারিখ পরিবর্তন হয়। যেমনটি হচ্ছে এবারও। আর তাই এ বছরও পুরান ঢাকায় সাকরাইন উৎসব পালিত হবে বৃহস্পতি ও শুক্রবার। আর এ উৎসবের উপকরণ আর অলংকারের পসরা নিয়ে জমে উঠেছে শাঁখারীবাজারের দোকানগুলো। দোকানগুলো সেজেছে চোখদাড়, মালাদাড়, ঘায়েল, দাবাসহ নানান নামের রঙ্গিন ঘুড়ি, মাঞ্জা দেওয়া সুতা আর নাটাইয়ের বাহার আর হরেক রকমের আতশবাজি নিয়ে। এগুলো দিয়ে বৃহস্পতিবার আর শুক্রবার ঢাকার আকাশ থাকবে হরেক রঙে সজ্জিত । আর সন্ধ্যা থেকে রাত অবধি চলবে আতশবাজির রঙে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্ফুলিঙ্গে রাঙানো আঁধার।

উৎসবের আয়োজনকে ঘিরে মাসব্যাপী চলেছে প্রস্তুতি। আর উৎসব শুরুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত চলবে বিকি-কিনির ধুম। চলছে নানান রঙের ঘুড়ি, নাটাই, সুতার আর  আতশবাজির বেচা-কেনা। কমবেশি সব বয়সী মানুষের আনাগোনাই এখন অনেকটা মুখোর শাঁখারীবাজারের নাটাই ঘুড়ির দোকানগুলো।

 

http://www.intellect.com.bd/media/imgAll/May_2015/shakrain-festival-2016-intellect0220160113163222.jpg

 

তবে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পরিবর্তন এসেছে উৎযাপনের রকমভেদে। এ বিষয়ে শাঁখারীবাজারের দোকানী শেখর চন্দ্র জানান, “আগে সাকরাইন উৎসবে এই বাজারের বিভিন্ন রকমের ঘুড়ি,নাটাইয়ের রকমভেদ থেকে শুরু করে ক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম হতো। অবস্থা আরও ভালো ছিল। কিন্তু এখন ব্যবসা আগের মত নাই। এখন শুধু নির্দিষ্ট কয়েকদিন ব্যবসা করি। তবে এই উৎসবের কেনাকাটা করতে ক্রেতাদের শাঁখারীবাজারে আসতেই হবে, এখন এই বাজার ছাড়া উপায় নাই।”

তিনি আরও বলেন, “আগে আমরা ঘুড়ির সুতা নিজেরা তৈরি করে বিক্রি করতাম। আবার সুতায় মাঞ্জা দিতে প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো বিক্রি করতাম। কিন্তু এখন সব রেডিমেড হয়ে গিয়েছে। এখন আমরা ভারত থেকে তৈরি করা সুতা কিনে এনে এখানে বিক্রি করছি।”

শুধু বাণিজ্যিক প্রসার এবং সংকীর্ণতার মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই সাকরাইন। আর তাই বরাবরের মতোই এখন সবাই শেষ সময়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অপেক্ষা করছেন বৃহস্পতিবারের আলো ফোটার। নানান রঙ আর সুতোর ঘুড়িগুলো উড়বে সারাদিন আর করবে কাটাকাটি ।

January 13, 2016
Kazifarms Kitchen

Recent Posts


the2hourjob.com MARKS BANGLADESH'S ENTRY INTO THE 'GIG ECONOMY'

The2hourjob.com marks Bangladesh's entry into the 'Gig Economy' - a new milestone that Bangladesh has now achieved during the Digital Bangladesh era. 

The2hourjob.com is here to make us count on women and to make women look beautiful...

FUTURE SAMSUNG GALAXY PHONES COULD READ YOUR PALMS

Samsung files a patent for fetching patterns of password with palm verification.

NEW BARBIE DONS A HIJAB!

The world’s favourite beauty queen has been spotted in a hijab for the first time ever in a tribute to the bold Ibtihaj Muhammad, the first American Olympian to compete...