Thursday November 26, 2020
intellect logo

Home Lex Jaw কপিরাইট আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন: সমস্যা ও সম্ভাবনা

কপিরাইট আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন: সমস্যা ও সম্ভাবনা

মোঃ মনজুরুর রহমান
কপিরাইট আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন: সমস্যা ও সম্ভাবনা
Source: Internet

যদি কেউ আমাকে প্রশ্ন করেন দেশে কোন কোন ক্ষেত্রে কপিরাইট আইন অমান্য করা হচ্ছে? উত্তরে বলবো সরকারি-বেসরকারি, ব্যক্তি ও গোষ্ঠীসংশ্লিষ্ট এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে জেনে বা না জেনে আইনটি অমান্য করা হচ্ছে না। সরকারি নামী-দামী জাতীয় প্রতিষ্ঠানও প্রায়শই অসচেতনভাবে উপেক্ষা করছে আইনটি। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত প্রত্রিকায় বিদেশি লেখকদের অনুবাদ কপিরাইট আইনের ৫২ ধারা প্রতিপালন না করেই ছাপা হতে দেখেছি। অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি গ্রন্থ, সংকলন বা সুভিনিয়রে দিনের পর দিন ছাপা হচ্ছে শিল্প বা আলোকচিত্রের প্রতিলিপি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শিল্পী বা আলোকচিত্রীর নামও সেখানে মুদ্রণ করা হয় না, যা কপিরাইট আইনের নৈতিক অধিকারের সুস্পষ্ট Violation পত্রিকায় পড়েছি: নৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করে পাসপোর্টে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরেরও আমার সোনার বাংলা ছাপানোর কাহিনী; সম্প্রতি গ্রামীণফোন কর্তৃক জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গানের সুর বিকৃত করে উপস্থাপন ও সুধীজনের প্রতিবাদের পরিপ্রেক্ষিতে শুদ্ধরূপে তা পুনঃনির্মাণের বিষয়টি সম্পর্কেও অনেকেই অবগত। নকল কম্পিউটার সফ্টওয়্যার ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান যে ২য় পর্যায়ে এ বিষয়টিও সম্ভবত: কারো অজানা নেই।

মনে রাখা প্রয়োজন যে, কোন বিষয়ে সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন আইনানুগ তিনটি স্তর অতিক্রম করা। যথা : ১. আইন প্রণয়ন, ২. প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামে বির্ণিমাণ (সরকারি-বেসরকারি) এবং ৩. এনফোর্সমেন্ট। বাংলাদেশের কপিরাইট আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে  পূর্ববর্তী অনুচেছদ-এ বর্ণিত তিনটি বিষয়ের প্রথমটির বাস্তব উপস্থিতি দেশে বিদ্যমান থাকলেও পরবর্তী স্তরের বিপরীতে প্রাতিষ্ঠানিক কার্যকর কার্যক্রমে প্রভূত ঘাটতি রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর স্বরূপ উন্মোচন করতে হলে নিঃসন্দেহে বলা যাবে যে, এদেশে ১৯৬২ সালে কপিরাইট অফিস প্রতিষ্ঠা পেলেও প্রায় চল্লিশ বছর এ প্রতিষ্ঠানটি কেবলই প্রসব করেছে অশ্বডিম্ব। প্রকৃত অর্থে ২০০০ সালে নতুন কপিরাইট আইন প্রণীত হওয়ার পরও এ দপ্তর কেবল বিক্ষিপ্ত কিছু রেজিস্ট্রেশন’ ছাড়া সৃষ্টিশীল মানুষদের উপকারে তেমন কোন কার্যকর ভূমিকা পালন করেনি। এর পেছনে কিছু বাস্তব কারণও বিদ্যমান। দীর্ঘদিন এ অফিসটি চলেছে স্বল্প সংখ্যক লোকবল দিয়ে (যাদের বুদ্ধিবৃত্তিকসম্পদ বিষয়ক জ্ঞান প্রায় শূণ্যের কোঠায়)। একটি নতুন আইন গৃহীত হওয়ার পর সেই আইন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অবহিতকরণমূলক যে উদ্যোগ বা কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন তা কপিরাইট আইন-২০০০ সংসদে পাশ হওয়ার পর নেয়া হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অফিসটির প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টি দেয়ায় এবং পর্যায়ক্রমে নতুন লোকবল নিয়োগ (কর্মকর্তা/কর্মচারী) করায় পরিস্থিতির উন্নতি সাধিত হচ্ছে। এখন কপিরাইট অফিসের কার্যক্রম ঢাকায় কেবল চার দেয়ালের মধ্যে আবদ্ধ নয়। জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বেশ কিছু সেমিনার ও অভিহিতকরণ সভা। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে নেয়া হয়েছে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার কার্যক্রম।

সরকারি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর বাইরে পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই স্রষ্টা সম্প্রদায়ের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান থাকে যা CMO বা RRO নামে পরিচিত। বাংলাদেশি আইনে এই বিধান বিদ্যমান থাকলেও অদ্যাবধি বাংলাদেশে CMO প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। গোষ্ঠী স্বার্থ, স্রষ্টা-প্রকাশকদের মধ্যে সন্দেহ, পরস্পরের মধ্যে বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগের কারণে Creative কাজ থেকে সংশ্লিষ্টদের পরিপূর্ণ অর্থ প্রাপ্তি বা লাভবান হওয়ার সম্ভবনা হতাশার গভীর চোরাবালিতে নিমজ্জিত হচ্ছে দিনের পর দিন। আর সেই সুযোগে তৃতীয় পক্ষ হচ্ছে লাভবান (পাইরেট, কনটেন্ট প্রোভাইডার ও মোবাইল কোম্পানিসমূহ)। সৃষ্টিশীল মানুষদের জন্য এই মুহূর্তে জরুরি হয়ে পড়েছে পারস্পরিক দ্বিধা-দ্বন্দ ও সন্দেহের দেয়াল ভেঙ্গে CMO প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা পালন।

copyright protection

CMO এর অভাব একদিকে যেমন বাংলাদেশের সৃষ্টিশীল মানুষদের বঞ্চনার অন্যতম কারণ, অন্যদিকে ব্যক্তি পর্যায়ের সচেতনতার অভাবও তাদের ক্ষতির ভিন্নতর অনুষঙ্গ। অধিকাংশ স্রষ্টাই জানেন না কীভাবে তাঁর সৃষ্টি বাজারজাত হয়ে ভোক্তাদের হাতে গিয়ে পৌঁছাবে। স্রষ্ট্রা-প্রকাশক উভয় পক্ষই চুক্তি সম্পর্কেও  উদাসীন। আবার চুক্তি হলেও সে চুক্তি হয় না আইনানুগ। কপিরাইট সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান না রেখেই কোন কোন বিজ্ঞ আইনজীবী মক্কেলকে খুশি করার লক্ষ্যে এমন চুক্তিপত্র তৈরি করে দেন যা দিয়ে বেশিদিন সম্পর্ক মধুর রাখা সম্ভব হয় না। স্বল্প কালের মধ্যে স্রষ্টা-প্রকাশক পরস্পর পরিণত হন শত্রুতে। বাংলাদেশের বর্তমান সঙ্গীত পরিস্থিতির খবর যারা রাখেন তারা জানেন কী বিরূপ পরিস্থিতি বিরাজ করছে বর্তমান বাংলাদেশে। সৃজনশীল সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রেও লেখকদের অভিযোগ রয়্যালিটি থেকে বছরের পর বছর বঞ্চিত হওয়ার। কপিরাইট আইনে লিখিত চুক্তির বাধ্যবাধকতা থাকলেও অনেকেই চুক্তি করেন মৌখিক; যার পরিণতি প্রায়শই হয় হতাশা ব্যঞ্জক। অন্যদিকে ভোক্তা সম্প্রদায়ও সস্তায় প্রাপ্তির আকাক্সক্ষায় ক্রমাগত ছুটছেন উটপাখির মতো নকল পণ্য বিক্রির হাটে। কপিরাইট সচেতন যে কোন ব্যক্তি যদি একটু লক্ষ্য করেন, দেখবেন সারা দেশই যেন ইতোমধ্যে ডুবে গেছে পাইরেসির অতলান্তে সমুদ্রে...। আর এর মধ্যদিয়ে আমরা চোরাই পণ্য কিনে চৌর্যবৃত্তিকে সহায়তা করে স্রষ্টাদের বঞ্চিত করছি, অসহযোগিতা করছি সরকারকে আইন প্রয়োগ এবং রাজস্ব প্রাপ্তি থেকে। 

কোন সমস্যার কার্যকর আইনানুগ সমাধানের তৃতীয় স্তর এনফোর্সম্যান্ট। এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমের সঙ্গে একাধিক পক্ষ সংশ্লিষ্ট। যেমন: ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি, আইন শৃক্সক্ষলা বাহিনী, বিজ্ঞ আইনজীবী ও বিজ্ঞ আদালত। বাংলাদেশের কপিরাইট আইন বাস্তবায়নের বাস্তব চিত্র পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করলে কোথাও কোন ইতিবাচক সংবাদ আছে মর্মে বিশ্বাস করা যায় না। সৃষ্টিশীল অথচ ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিবর্গ দিনের পর দিন তার অধিকার থেকে বঞ্চিত হলেও প্রায়শই এগিয়ে আসেন না প্রতিকার প্রার্থী হয়ে। পথে-ঘাটে, হাটে-বাজারে, সুপার মার্কেটে সর্বত্রই জেকে বসে আছে পাইরেটেড সামগ্রী। অথচ এ বিষয়ে কপিরাইট আইন-২০০০ (২০০৫ সালে সংশোধিত)-এর ৯৩ নম্বর ধারায় বিষয়টি দেখ-ভাল করার জন্য পর্যাপ্ত ক্ষমতা দেয়া হয়েছে পুলিশ বাহিনী সদস্যদের। উক্ত ধারায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে -  সাব-ইন্সপেক্টরের নিম্নতর পদাধিকারী নহেন এমন যেকোন পুলিশ কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, [৮২ ধারার অধীনে কোন কর্মের বা ধারা ৮৪-এর অধীনে কোন কম্পিউটার কর্মের] কপিরাইট লঙ্ঘনজনতি কোন অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, হইতেছে বা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, তাহা হইলে তিনি গ্রেফতারী পরোয়ানা ব্যতীতই কর্মটির সকল অনুলিপি এবং লঙ্ঘনকারী অনুলিপি তৈরির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত সকল প্লে¬ট, যেখানেই পাওয়া যায়, জব্দ করিতে পারিবেন এবং অনুরূপভাবে জব্দকৃত সকল কপি এবং প্লে¬ট যত দ্রুত সম্ভব, একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে উপস্থাপন করিবেন। অথচ এ ধারার কোন কার্যকর প্রয়োগের সংবাদ সম্ভবত আমার মতো অনেকেরই নজরে আসে না।

এনফোর্সম্যান্ট কার্যক্রমের চূড়ান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয় আদালতে। কিন্তু বলতে দ্বিধা নেই যে, অনেক কম গুরুত্ব সম্পন্ন বিষয়ে পৃথক পৃথক ট্রাইব্যুনাল বা কোর্ট থাকলেও দেশে অদ্যাবধি IP বা IT বিষয়ক বিশেষ কোর্ট বা ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হয়নি। যথাযথ সম্মান রেখেই বলছি কপিরাইটের গুরুত্ব অনুভব না করার কারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ বিচারকগণকে এ বিষয়ে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণও দেন না। TRIPS কাউন্সিলের ২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে প্রদত্ত ছাড় যে বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য নয় সে বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপনের পরও সংশ্লিষ্টদের বোধগম্য করানো সম্ভব হয়নি। 

ফলে, ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হন প্রকৃত স্বত্বাধিকারীরা।

বাংলাদেশ একটি অপার সম্ভাবনার দেশ। প্রতিদিন এদেশের অসংখ্য সৃষ্টিশীল মানুষ মেধা দিয়ে, শ্রম দিয়ে সৃষ্টি করছেন নতুন নতুন কর্ম। কিন্তু নানাবিধ কারণে (কিছু কারণ পূর্ববর্তী অনুুচ্ছেদসমূহে বিবৃত হয়েছে) তাঁরা বঞ্চিত হচ্ছেন অপমানজনকভাবে এবং দেশবাসীও হচ্ছেন প্রতারিত। সৃষ্টির প্রকৃত মূল্য না পেয়ে সৃষ্টিশীল কাজ থেকে সরে আসছেন কেউ কেউ। আবার কেউ কেউ হচেছন দেশান্তরিত। দেশি-বিদেশি পুস্তক, সঙ্গীত সফ্টওয়্যার, চলচ্চিত্র, চিত্রকলা, আলোকচিত্র ইত্যাদি অবৈধ কপি করার কারণে বৈদেশে নিন্দিত হচ্ছে দেশ-জাতি।

সৃষ্টিশীল কর্ম ও কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই কপিরাইট কর্ম থেকে দেশ কীভাবে উপকৃত হতে পারে, কোন খাত থেকে কী পরিমাণ আয় জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছে সে সংক্রান্ত স্টাডি বা গবেষণা ফি-বছর হয়ে থাকে। এ বছর ২৪ ও ২৫ শে এপ্রিল ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত WIPO Asia-Pacific Regional Symposium on Capacity Building in the Field of Copyright and Related Rights -এ উপস্থাপিত CISAC Mr. Ang Kwee-র Role of Government & Private Copyright Institutions to Enhance Capacity Building at the National Level শীর্ষক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে কপিরাইটের অবদান ২০১০ সালে সমগ্র জিডিপির ১১.১% যাহা $১.৬২ ট্রিলিয়ন এ উন্নিত হয়েছিল। 

এ বিষয়ে WIPO-ও সময় সময় সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের চাহিদার আলোকে সহযোগিতার হাত বাড়ায়। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সাহিত্য, সঙ্গীত, চলচ্চিত্র, চিত্রকলা, কম্পিউটর সফ্টওয়্যারের মতো প্রভাব বিস্তারকারী শিল্প বিষয়ক পরিপূর্ণ অর্থনৈতিক জরিপ এখনো আমরা করতে পারিনি। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে জরীপকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানের ভুমিকাও উল্লেখ করার মত নয়। তবে, বাংলাদেশের ‘কোর কপিরাইট শিল্প’ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায়Ñ২০১০ অর্থ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি খাত থেকে আয় হয়েছে ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, সৃজনশীল গ্রন্থ থেকে ৪.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, সঙ্গীত শিল্প থেকে ২.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং চলচ্চিত্র থেকে ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে কপিরাইটজাত শিল্প সংক্রান্ত লাভ-ক্ষতির স্টাডি বা গবেষণা না থাকলেও International Intellectual Property (IIPA) গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশকে।  বাংলাদেশ সংক্রান্ত তাদের ২০০৭ 2007 Special 301 Report থেকে জানা যায় পাইরেসির কারণে বাংলাদেশের ক্ষতির পরিমাণ।  

আইনানুগভাবে যদি কপিরাইট কার্যক্রম পরিচালিত হয় তাহলে স্রষ্টা যেমন আর্থিক ও নৈতিক দিক থেকে লাভবান হন তেমনি সৃজনশীল কর্মপ্রবাহের সঙ্গে অসংখ্য মানুষের কর্মে নিয়োজিত হওয়ার (Appoinment) সম্ভাবনাও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। উর্বর এই ক্ষেত্র কর্ষণ করে অফুরন্ত সোনালি ফসল ঘরে তোলা সম্ভব। বাংলাদেশের কপিরাইট জগতের সকল সমস্যা সমাধান করে সম্ভাবনার ক্ষেত্রকে ফুলে-ফলে-ফসলে পরিপূর্ণ রূপ দিতে হলে একদিনে বা একক চেষ্টায় কোন সহজ সমাধান অর্জন সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন গঠনমূলক স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেংসয়াদী সম্মিলিত পরিকল্পনা ও কার্যক্রম।

 

 

The story was first published in INTELLECT Issue no.2, dated July 2012. 

June 30, 2015
About Author

লেখক বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব

Kazifarms Kitchen

Recent Posts


the2hourjob.com MARKS BANGLADESH'S ENTRY INTO THE 'GIG ECONOMY'

The2hourjob.com marks Bangladesh's entry into the 'Gig Economy' - a new milestone that Bangladesh has now achieved during the Digital Bangladesh era. 

The2hourjob.com is here to make us count on women and to make women look beautiful...

FUTURE SAMSUNG GALAXY PHONES COULD READ YOUR PALMS

Samsung files a patent for fetching patterns of password with palm verification.

NEW BARBIE DONS A HIJAB!

The world’s favourite beauty queen has been spotted in a hijab for the first time ever in a tribute to the bold Ibtihaj Muhammad, the first American Olympian to compete...