Sunday December 06, 2020
intellect logo

Home Episode লোকসংগীতের অভিনব এক উৎযাপন

লোকসংগীতের অভিনব এক উৎযাপন

কাজী গালিব
লোকসংগীতের অভিনব এক উৎযাপন
ফোক ফেস্টের ৩য় দিনে পার্বতী বাউল এর মনোমুগ্ধকর পরিবেশনারএকটি মুহূর্ত

নানান ধরনের সব লোকসংগীত নিয়ে, এই প্রথম ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত উৎসব, মেরিল নিবেদিত “ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্টিভ্যাল ২০১৫”, নভেম্বরের ১২, ১৩ ও ১৪ তারিখে। পাঁচটি দেশের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল অনুষ্ঠানে। বাংলাদেশ থেকে ছিলেন ফরিদা পারভীন, মমতাজ বেগম, বারী সিদ্দিকী, রব ফকির, কিরন চন্দ্র রায়, চন্দনা মজুমদার, শফি মন্ডল, আবদুল আলিমের তিন সন্তান – আজগর আলিম, জহির আলিম ও নূরজাহান, নাশিদ কামাল, সদানন্দ্র সরকার, নিশিকান্ত সরকার, লাবিক কামাল, গৌরব এবং অর্নব। এছাড়া কাঙ্গালিনি সুফিয়া এবং আনুশেহ’র লোকসংগীত পরিবেশন করার কথা থাকলেও সময়ের অব্যবস্থাপনার কারণে তারা এবারের আসরে সংগীত পরিবেশন করতে পারেনি। 

“ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্টিভ্যাল ২০১৫”-তে অংশগ্রহণ করার জন্য ভারত থেকে এসেছিলেন অর্ক মুখার্জি, পাপন, নুরান সিস্টার্স, পবন দাস বাউল, পার্বতী বাউল, ইন্ডিয়ান ওশেন এবং রাজস্থানি ফোক গ্রুপ হামিরার মঙ্গানিয়ার। পাকিস্থান থেকে অংশগ্রহণ করেন সুফি গায়ক সাঁই জাহুর এবং আবিদা পারভীন। আরো ছিল আয়ারল্যান্ডের পক্ষ থেকে নিয়াও নি কারা, চীন থেকে ইউনান আর্ট ট্রুপ এবং মিসরের আলেক্সান্দ্রিয়া জ্যাম ট্রুপ।

প্রথমবারের মত অনুষ্ঠানটি যে এত বড় সাড়া দিবে, আয়োজকরা হয়তো সেটা অনুধাবন করতে পারেনি। তবে অধিকাংশ দর্শকরা এই অভিনব আয়োজনটিকে সাধুবাদ জানিয়েছে। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে লালনগীতি গায়িকা ফরিদা পারভিন বলেন, “বাংলা গানের হাজার বছরের সংস্কৃতির ধারক লোকগান। লোকগানের উৎসবের যে আয়োজনটি হচ্ছে, এই ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে পড়বে আমাদের বাংলা লোকগান। পাশাপাশি অন্য দেশের লোকগানের নানা ধারা নিয়েও আমরা জানতে পারব।”

এছাড়া অধ্যাপক আনিসুজ্জামান লোক সংগীত প্রসঙ্গ নিয়ে বলেন, “শুধুমাত্র বাংলার মানুষের জীবনধারা নয়, বরং বিভিন্ন ধর্মের প্রার্থনায়, বিভিন্ন মানুষের বৈচিত্রময় জীবনযাপনে লোক সংগীত জড়িয়ে আছে শক্তভাবে। ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, জারি, সারি আর বাউল গানের সুরে মাতোয়ারা হননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। হাজার বছর পরেও আবেদন ফুরায়নি এসব গানের।”

প্রথম দিন 

প্রথমবারের মত আয়োজিত আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত উৎসব এর সূচনা করে নৃত্যশিল্পী মিনু হকের পল্লবী ড্যান্স সেন্টারের নৃত্যশিল্পীরা বাংলার লোকনৃত্য পরিবেশনায় মধ্য দিয়ে। তখনও আর্মি স্টেডিয়ামের বাইরে হাজারও জনতার ভিড়, অপেক্ষা কখন নিরাপত্তা তালাশি পাড় হয়ে ঢুকতে পারবে অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চে। সঙ্গীতশিল্পী তপন চৌধুরীর উপস্থাপনায় শুরু হয় পুরো অনুষ্ঠানটি। এরপরে মঞ্চে আসেন লালনকন্যা ফরিদা পারভীন। লালন সাই এর “আমি অপার হয়ে বসে আছি” দিয়ে তিনি শুরু করলেন, তারপর একে একে এল “মিলন হবে কত দিনে”, “সময় গেলে সাধন হবে না”। 

ফরিদা পারভীনের সংগীত উপস্থাপনা শেষ হতে হতে, পুরো আয়োজনটি জমে উঠেছিল। তার সংগীত উপস্থাপনার পরে মঞ্চে ডাকা হয় প্রধান অতিথি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী, জনাব আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং শিল্পী ফেরদৌসি রহমানকে। তারা বিশেষ সম্মাননা তুলে দেন শিল্পী ফরিদা পারভিন এবং নৃত্যশিল্পী মিনু হক এর হাতে।

এরপর মঞ্চে উঠলেন জনপ্রিয় ফোকশিল্পী চন্দনা মজুমদার, গেয়ে শোনালেন লালনের “মানুষ ভজলে সোনার মানুষ পাবি”, বাউল আবদুল করিমের “তুমি বিনে আকুল পরাণ” এবং রাধারমনের “ও জলে যাইও না”। চন্দনা মজুমদারের সংগীত উপস্থাপনা শেষে মঞ্চে আসেন তার স্বামী কিরন চন্দ্র রায়। শেষ করেন রুদ্র মহাম্মদ শহিদুল্লাহর “ভালো আছি ভালো থেকো” দিয়ে।

http://www.intellect.com.bd/media/imgAll/May_2015/aurnob-intellect20151119091019.JPG

 

http://www.intellect.com.bd/media/imgAll/May_2015/the-manganiars-from-hamira20151119091928.JPGছবিঃ  জনপ্রিয় বাংলাদেশী শিল্পী অর্ণব এবং রাজস্থানের বিখ্যাত ব্যান্ড ম্যাঙ্গানিয়ার গোষ্ঠীর শিল্পীরা ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্টিভ্যালে

এর পর মঞ্চে এলেন কলকাতার দুই জনপ্রিয় শিল্পী অর্ক মুখার্জি এবং সাত্যাকি বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিবেশনা করেন বাংলাসহ একটি রাজস্থানি এবং বেশ কিছু ফরাসি ফোক গান। তারা বাংলা গানের গবেষনাও করে থাকেন। ঢাকার দর্শকরা তাদেরকে তুমুল করতালির মাধ্যমে বরন করে।

অর্ক মুখার্জির পরে মঞ্চে আসেন আমাদের দেশের তিনজন জনপ্রিয় বাউল, রব ফকীর, শফি মণ্ডল এবং লাবিক কামাল গৌরব এবং তাদেরকে সঙ্গ দিতে ছিলেন বাংলা ব্যান্ডের বুনোসহ আরো কয়েকজন। 

প্রথমদিনের উপসংহার টানতে মঞ্চে আসেন পাকিস্থান থেকে আগত সাঁই জাহুর। তিনি সচারাচর সুফি ঘরনার গান চর্চা করে থাকেন এবং ঢাকার দর্শকদের কাছে গেয়ে শোনান বুল্লে শাহ-এর বেশ কিছু গান। সবশেষে এলেন ‘বরফি’খ্যাত সঙ্গীতশিল্পী পাপন এবং তার ব্যান্ডদল দ্যা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। তারা মুলত ফিউশন করে থাকেন এবং প্রথমদিনের অনুষ্ঠানটিকে সুন্দরভাবে গুটিয়ে দিয়েছিলেন অদ্ভুত সুন্দর কিছু ফিউশন মিউজিক দিয়ে। 

দ্বিতীয় দিন 

লোক সংগীত যে সাতটি বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে - প্রেম, ধর্মীয় বিষয়, দর্শন, উক্তি, কর্ম ও পরিশ্রম, নেশা ও জীবিকা এবং ব্যাংগো ও কৌতুক,  এসব বিষয়েরই একটু একটু করে স্বাদ পেয়েছে “ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্টিভ্যাল ১০২৫”-তে আগত দ্বিতীয় দিনের দর্শকরা। 

প্রথমেই মঞ্চে উঠেছিলেন ভাওয়াইয়া গানের প্রবাদ প্রতীম আব্বাস উদ্দীনের বংশধর নাশিদ কামাল। তিনি শুরু করেন “যে জন প্রেমের ভাব জানে না” এবং এর পরম্পরায় বাকি গানগুলোও ভাওয়াইয়া-ই পরিবেশন করেন।  

বাংলার লোকসংগীতের অমর শিল্পী আবদুল আলীম লোকসংগীতকে অবিশ্বাস্য এক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন যেখানে জগৎ জীবন ও ভাববাদী চিন্তা একাকার হয়ে যায়। আর তাই “সর্বনাশা পদ্মা নদীরে”, “কলকল ছলছল”, “থাকতে পার ঘাটাতে” গেয়ে তারই পূর্বসুরী আজগর আলিম, জহির আলিম এবং নূরজাহান আলিম আবার পুনরুজ্জীবিত করেন। 

আলিম যুগলের সংগীত পরিবেশনার পরে আসেন বাংলার জনপ্রিয় বংশীবাদক বারী সিদ্দিকী। দর্শকরা যেন তার বাঁশি শোনার জন্যই মুখিয়ে ছিলেন। তার “রজনী হোস নে অবসান”, সুয়াচান পাখি”র বাঁশির মূর্ছনায় অনুষ্ঠানের পুরো আবহাওয়াই বদলে যায়। 

বাংলাদেশের তরুণদের কাছে বাংলার লোকগীতি পৌছে দেওয়ার পেছনে অনেক বড় অবদান রেখেছে শায়ন চৌধুরী, অর্ণব এবং আনুশেহ আনাদিল –এর ব্যান্ড “বাংলা”। ব্যান্ডের অন্যতম দুই সদস্য অর্ণব এবং বুনো মিলে গড়ে তুলেছিলেন ‘অর্ণব অ্যান্ড ফ্রেন্ডস্‌’। দর্শকদের অভাবনীয় উপস্থিতি দেখে বিস্মিত অর্ণব জানান যে তিনি এত বাংলা ভাষাভাষির দর্শক একসাথে দেখেননি। তিনি একাধারে “সোনা দিয়া বান্ধায়াছি ঘর”, “হার কালা করলাম রে” দিয়ে শুরু করেন। সাথে ড্রামে ছিলেন পান্থ কানাই। তিনিও “জাত গেলোরে” গানে অর্ণবের সাথে গলা মিলিয়েছিলেন। শেষে তিনি চট্ট্রগ্রামের “লাল পাহাড়ির দেশে যা” গেয়ে আশির দশকের জনপ্রিয় গায়ক তপন চৌধুরীকে মঞ্চে ডাকেন। সম্পর্কে তারা চাচা-ভাতিজা, প্রথমবারের মত মঞ্চে একসাথে গান পরিবেশন করেন। 

http://www.intellect.com.bd/media/imgAll/May_2015/bari-siddiki-intellect0220151124063526.jpg

 

photo from the event

 

http://www.intellect.com.bd/media/imgAll/May_2015/buno--01-intellect20151124063127.jpgছবিঃ ২য় দিন জমে উঠেছিল বারী সিদ্দিকী, পবন দাস বাউল এবং বুনো এর সাথে

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা লোকগীতিকে জনপ্রিয় করার পেছনে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় শিল্পী পবন দাস বাউল এর অবদান অসামান্য। মঞ্চে উঠেই তিনি তার জনপ্রিয় “কতদিনের সে ভার”, “বসুন্ধরার বুকে”, “দিল কি দয়া হয় না” দর্শকের উদ্দ্যেশে পরিবেশন করেন। পরিবেশনার পুরো সময় তাকে সঙ্গ দেয় অর্ণব ও বুনো। মন্দিরায় ছিলেন তার স্ত্রী। শেষে তিনি নিতি ক্ষমক বাজিয়ে “মনমতি” নেচে নেচে গেয়ে শোনান। 

পবন দাস বাউল-এর পরিবেশনা শেষ হতে না হতেই বাংলার জনপ্রিয় লোকশিল্পী মমতাজ মঞ্চে উঠেন। তখনও অর্ণব ও বুনো মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। মমতাজ এর পরিবেশনার মূল আকর্ষণ ছিল মানিকগঞ্জের পালা গান। তিনি শুরু করেন তারেক মাসুদের চলচ্চিত্র মাটির ময়না’য় ব্যবহৃত “বেহেস্তে যাইতে চাও গো” দিয়ে, এবং এরপরে একে একে “আগে যদি জানতাম”, “খাজা বাবা, খাজা বাবা”, “মরার কোকিলে” গেয়ে দর্শকদের মাতিয়ে তুলেন। 

দ্বিতীয় দিনের সবশেষে মঞ্চে আসেন চীন থেকে আগত ইউনান আর্ট অ্যান্ড কালচারাল গ্রুপ, অ্যাক্রোব্যাটিক নাচ দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন তারা। ইউনান গ্রুপের এক তরুণ শোনান রবি ঠাকুরের “ওগো বিদেশিনী”। 

তৃতীয় দিন

শেষ দিনের প্রথম চমক দেখায় “জলের গান”। রাহুল আনন্দ ও কনক আদিত্য-এর “শুয়া যাওরে” এবং জনপ্রিয় “বকুল ফুল”, “ও ঝরা পাতা”, “আমি একটা পাতার ছবি আঁকি” গানগুলো একে একে পরিবেশন করেন। 

জলের গানের পরেই মঞ্চে আসে আয়ারল্যান্ডের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের লোকগানের শিল্পী “নিয়াব নি কারা”। তিনি বলেন, “বাংলা লোকগান নিয়ে যতোই পড়ছি, অবাক হচ্ছি। আমরা সাত হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে এই বাংলায় গাইতে এসেছি, আমাদের সত্যি অনেক ভালো লাগছে”। তিনি এবং তার দল বেশ কিছু ইন্সট্রুমেন্টাল ট্র্যাক শোনান।

এরপর মঞ্চ কাঁপাতে আসলেন ইন্ডিয়ার ফিউশন ব্যান্ড “ইন্ডিয়ান ওশেন”। ব্যান্ডের ভোকাল রাহুল রাম বলেন, “মায়ের দিক থেকে এই বাংলার সঙ্গে কিন্তু আমার যোগাযোগ অনেক আগের। মংলার মেয়ে মা বড় হয়েছেন দিল্লীতে, আমিও তাই।” প্যারিসে সহিংসতায় নিহতদের উদ্দ্যেশে তারা তাদের “রুক যারে বন্দ্” উৎসর্গ করেন। এ সময় দর্শকদের মধ্যে বিষাদের ছায়া দেখা দেয়। ভারতের মধ্যপ্রদেশের জনপ্রিয় গান “মারেওয়া” পরিবেশন করার পর দর্শকদের মাঝে ফিরে আসে উচ্ছলতা। কিছু ফোক ইন্সট্রুমেন্টাল ট্র্যাক ও ‘আলম আলম’ দিয়ে পরিবেশনা শেষ করেন।  

http://www.intellect.com.bd/media/imgAll/May_2015/abida-parvin-intellect - Copy20151122082413.JPG

 

photo from the event

 

photo from the event  ছবিঃ ফোক ফেস্টে ৩য় দিনের অন্যতম আকর্ষণ - পাকিস্থানের বিখ্যাত সুফি শিল্পী আবিদা পারভীন (উপরে), আয়ারল্যান্ড থেকে আগত লোকশিল্পী “নিয়াব নি কারা” (মধ্য) ও  ভারতীয় ফিউশন ব্যান্ড “ইন্ডিয়ান ওশেন” (নিচে)

পার্বতী বাউল ঢাকার শ্রোতাদের কাছে আগে থেকেই পরিচিত। তার পরিবেশনার প্রধান উপজীব্য ছিল শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলা। তার গানের মাঝে ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিতা দত্ত চক্রবর্তী আবৃত্তি করেন। রাধা রূপী পার্বতী গেলেন “কালো কেন রাই তমসী মম”। শেষে মানভঞ্জনের গান ‘রাধা গোবিন্দের যুগল মিলন’ পরিবেশন করেন তিনি। 

এরপ্র মঞ্চে উঠলেন পাকিস্থানের বিখ্যাত সুফি শিল্পী আবিদা পারভীন। গেয়ে শোনান কিছু কাওয়ালী গান, শেষ করেন ‘মাস্তকালান্দার’ দিয়ে। 

রাজস্থানের বিখ্যাত ব্যান্ড ম্যাঙ্গানিয়ার গোষ্ঠীর শিল্পীরা তাদের কিছু জনপ্রিয় লোকগান পরিবেশন করেন। এগুলোর মধ্যে ‘নিমুরা নিমুরা’ অন্যতম। শ্রোতাদের বিস্মিত করে তারা গেয়ে উঠলেন “সাধের লাউ বানাইলো মোরে বৈরাগী”। এই গান দিয়েই এইবারের আন্তর্জাতিক লোকসঙ্গীত অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। কাঙালিনী সুফিয়া ও আনুশেহ আনাদিলের অংশগ্রহন করার কথা থাকলেও সিডিউল বিপর্যয়ের কারনে তারা অংশগ্রহন করতে পারেনি। 

আন্তর্জাতিক ফোক উৎসব এ দেশে আয়োজিত প্রথম ফোক গানের উৎসব। শ্রোতারা এসেছেন, গান শুনেছেন, নিজের মূলের সাথে কিছুটা হলেও সম্পৃক্ত হয়েছেন। আর এটাই এই আয়োজনের সবচেয়ে বড় সাফাল্য। 

 

 

Photo: INTELLECT/Kazi Galib

November 22, 2015
About Author

লেখক একজন ফ্রিল্যান্সার। সংগীত, ছবি তোলা এবং লেখালেখি তাঁর মূল আগ্রহ। 

Kazifarms Kitchen

Recent Posts


the2hourjob.com MARKS BANGLADESH'S ENTRY INTO THE 'GIG ECONOMY'

The2hourjob.com marks Bangladesh's entry into the 'Gig Economy' - a new milestone that Bangladesh has now achieved during the Digital Bangladesh era. 

The2hourjob.com is here to make us count on women and to make women look beautiful...

FUTURE SAMSUNG GALAXY PHONES COULD READ YOUR PALMS

Samsung files a patent for fetching patterns of password with palm verification.

NEW BARBIE DONS A HIJAB!

The world’s favourite beauty queen has been spotted in a hijab for the first time ever in a tribute to the bold Ibtihaj Muhammad, the first American Olympian to compete...